মাওলানা আব্দুস সালাম সুনামগন্জী
এ যুগে চিত্ত বিনোদনের নামে গান-বাজনা অহরহ চলছে। জাতীয় প্রচারমাধ্যমে প্রত্যহ গান বাজনা হচ্ছে। সংস্কৃতির নামে এ অপসংস্কৃতি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিজিটাল এ বাংলাদেশে চিত্তবিনোদনের প্রধান উপায় হিসাবে অবলম্বন করা হয়েছে গান-বাজনাকে। এ দেশে শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমান থাকা সত্ত্বেও আমরা কি একবার চিন্ত্মা করে দেখেছি যে, চিত্তবিনোদনের নামে গান-বাজনা কি ইসলামের বিধান সম্মত? গান বাজনা সংস্কৃতি নাকি অপসংস্কৃতি আমরা কি তা চিন্ত্মা ভাবনা করছি। ইসলাম ধর্মে নাটক, সিনেমা, দেহপসারিণীদের খেল তামাশা থিয়েটার, সার্কাস, ভেল্কিবাজি ও সর্বপ্রকার নাচ,গান-বাজনা হারাম। ইসলামী রাষ্ট্রনায়কের কর্তব্য হচ্ছে এসব অপসংস্কৃতি বন্ধ করে দেয়ার জন্য সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা গ্রহন করা। কারণ এসবের মাধ্যমে অনৈতিকথার বিস্ত্মার ঘটে। নিন্দিত পুঁজিবাদ ও মাথাচাড়া দেয়। সর্ব সাধারণের জন্য অভাব ও দারিদ্রের দুয়ার উন্মুক্ত হয়ে যায়। সরকারের পথেকে যদি এসব অপসংস্কৃতি বন্ধের দ্রম্নত উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তাহলে জনসাধারণের জীবনোপায় সংগ্রহের দুয়ার বন্ধ হয়ে যাবে। এবং দেশে অভাব ও দারিদ্রের সেই ব্যাধি ছড়িয়ে পড়বে। যার ফলে মানুষের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক জীবন ধ্বংস হয়ে যাবে এবং জাতীয় জীবনে ব্যাপক ভাবে সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়বে। যার বাস্ত্মব রূপ ডিজিটাল বাংলাদেশ। ইসলামী শাসকবর্গের পে বিশেষ ভাবে এবং সাধারণ মুসলমানদের পে সাধারণভাবে এসব বন্ধ করার চেষ্টা চালানো জরম্নরী। গান-বাজনা ইত্যাদি হারাম হওয়ার ব্যাপারে সংপ্তি কয়েকটি দলীল উল্যেখ করা হচ্ছে।
Posted by আরিফ in