Showing posts with label islamic. Show all posts
Showing posts with label islamic. Show all posts

মীলাদুন্নবীতে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তির নিকট মেয়ে বিয়ে দেয়ার বিধান

Posted Posted by আরিফ in Comments 0 comments

শাখ মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
অনুবাদ : সানাউল্লাহ নজির আহমদ
সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
﴿ حكم زواج المرأة بمن يحضر الموالد وعنده بعض البدع ﴾
« باللغة البنغالية  »
الشيخ محمد صالح المنجد
ترجمة: ثناء الله نذير أحمد
مراجعة: د. أبو بكر محمد زكريا
প্রশ্ন :
আমার একটি কঠিন প্রশ্ন, আমার শ্যালিকা ইদানীং বিয়ে করবে, কিন্তু সম্ভাব্য বরের প্রকৃতি সম্পর্কে সে শঙ্কিত। আমি স্পষ্ট করেই বলছি, সে আমাকে জিজ্ঞাসা করেছে : মীলাদকে কঠিনভাবে সমর্থনকারী অথবা মীলাদুন্নবীর মাহফিল আয়োজনকারী ব্যক্তির সাথে বিয়ে কি বৈধ ? আমি জানি যে, ইসলামে এ কাজটি বিদ‘আত। কিন্তু আমার সন্দেহ, মীলাদুন্নবী উদযাপনকারী ব্যক্তির সাথে একজন মুসলিম নারীর বিয়ে কিভাবে হতে পারে ! কারণ যেসব শহরে এ মীলাদ পালন করা হয়, তারা এটাকে ইবাদাতের ন্যায়ই পালন করে। এখানে লোকদের আহ্বান করা হয়, কতক হাদিস পড়ে শোনানো হয়, গান-বাজনা হয় এবং প্রার্থনা করা হয়। লোকেরা মূলত দেখে ও গান গায় ! আমার প্রশ্ন হচ্ছে এসব কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তির সাথে মুসলিম নারীর বিয়ে কি বৈধ ? এর চেয়েও কঠিন প্রশ্ন- আমি যা প্রকাশ করতেও সঙ্কোচ বোধ করছি এ বিদ‘আতি কি মুসলিম হিসেবে গণ্য হবে ?


উত্তর :
আল-হামদুলিল্লাহ
ঈদে মীলাদুন্নবী বা এ জাতীয় বিদআতি কাজ যারা করে, তাদের আমল ও কর্মকাণ্ডের ভিন্নতার ন্যায় তাদের হুকুমও ভিন্ন, যদিও মীলাদুন্নবী বিদআত। এ ধরণের মীলাদ আয়োজকদের পাপের ধরণ ও ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে এরা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত। কখনো এদের বিষয়গুলো শিরক পর্যন্ত পৌঁছে এবং তাদেরকে দ্বীন থেকে বের করে দেয়, যদি এসব উৎসবে নির্দিষ্ট কোন কুফরি করা হয়, যেমন আল্লাহ ব্যতীত কারো নিকট প্রার্থনা করা, অথবা আল্লাহর রুবুবিয়াতের সিফাত দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিশেষিত করা, অথবা এরূপ কোন শিরকে লিপ্ত হওয়া। আর যদি বিষয়গুলো এ পর্যায়ে না পৌঁছে, তাহলে এরা ফাসেক, কাফের নয়। আবার এদের ফাসেকির স্তর বিদআত ও ইসলামি বিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে পৃথক ও আলাদা।

আর এসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তির অবস্থার ভিন্নতা হিসেবে তার হুকুমও ভিন্ন হবে। যদি কুফরিতে লিপ্ত হয়, তাহলে কোন অবস্থাতেই তার সাথে বিয়ে বৈধ হবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন :
وَلا تُنْكِحُوا الْمُشْرِكِينَ حَتَّى يُؤْمِنُوا وَلَعَبْدٌ مُؤْمِنٌ خَيْرٌ مِنْ مُشْرِكٍ وَلَوْ أَعْجَبَكُمْ
"আর মুশরিক পুরুষদের সাথে বিয়ে দিয়ো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে। আর একজন মুমিন দাস একজন মুশরিক পুরুষের চেয়ে উত্তম, যদিও সে তোমাদেরকে মুগ্ধ করে।" [সূরা বাকারা : ২২১] এমতাবস্থায় তার সাথে বিয়ের আক্দও সম্পন্ন হবে না। এ ব্যাপারে আলেমগণ একমত।
আর যদি বিদআতির বিদআত কুফরি পর্যন্ত না পৌঁছে, তবুও আলেমগণ বিদআতিদের সাথে বিবাহের সম্পর্ক কায়েম করা থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন।


ইমাম মালেক -রাহিমাহুল্লাহ- বলেছেন : "বিদআতিদের নিকট মেয়ে বিয়ে দেয়া যাবে না, আর না তাদের মেয়ে বিয়ে করা যাবে, তাদের উপর সালামও দেয়া যাবে।" "আল-মুদাওয়ানাহ" : (১/৮৪) অনুরূপ কথা ইমাম আহমদ ইবন হাম্বলও বলেছেন।
চার ইমামগণ -রাহিমাহুমুল্লাহ- বলেছেন, বিবাহের ক্ষেত্রে দ্বীনি বিষয়ে কুফু তথা সমতা থাকা জরুরী। কোন ফাসেক পুরুষ একজন সঠিক দ্বীনদার নারীর কুফু ও সমান হতে পারে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন :
أَفَمَنْ كَانَ مُؤْمِناً كَمَنْ كَانَ فَاسِقاً لا يَسْتَوُونَ
"যে ব্যক্তি মুমিন সে কি ফাসিক ব্যক্তির মত ? তারা সমান নয়।" [সূরা আস-সাজদাহ : ১৮[
এতে সন্দেহ নেই যে, দ্বীনের মধ্যে বিদআত কঠিন ফিসক। দ্বীনের ব্যাপারে কুফু ও বরাবরির অর্থ : আক্দ পরিপূর্ণ হওয়ার পর যদি নারীর নিকট অথবা তার অভিভাবকের নিকট প্রকাশ পায় যে, ছেলে ফাসিক, তাহলে তারা বিয়ে ভঙ্গের দাবি জানাতে পারবে। হ্যাঁ, তারা যদি দাবি ত্যাগ করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে, তাহলে বিয়ে শুদ্ধ।
তাই এ জাতি বিয়ে থেকে সতর্ক থাকাই শ্রেয়, বিশেষ করে কর্তৃত্ব যেহেতু পুরুষের হাতে অনেক সময় সে স্ত্রীকে কোণঠাসা করে বিদ‘আতে লিপ্ত হতে বাধ্য করতে পারে, অথবা কতক বিষয়ে সুন্নতের খেলাফ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে পারে। আর সন্তানদের বিষয়টি আরও ভয়ানক, খুব সম্ভব সে তাদেরকে বিদ‘আতের দীক্ষার উপর অনুশীলন করাবে, ফলে আহলে সুন্নতের বিরোধী হয়ে তারা বেড়ে উঠবে। আর এতেই বিপত্তি সঠিক অনুসারীদের জন্য, যারা আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের অনুসরণ করে
মোদ্দাকথা : কোন মুসলিম পুরুষের মেয়েকে বিদ‘আতিদের নিকট বিয়ে দেয়া মাকরুহে তাহরিমী। কারণ এর ফলে অনেক ফ্যাসাদের জন্ম হয় এবং অনেক স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য কোন জিনিস ত্যাগ করে, আল্লাহ তাকে তার চেয়ে উত্তম জিনিস দান করেন। আল্লাহ ভাল জানেন।
সমাপ্ত


fiamanillah

গান-বাজনা ও হারাম জিনিসের আয়োজন ব্যতীত মীলাদুন্নবী উদযাপন

Posted Posted by আরিফ in Comments 0 comments


শাখ মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
অনুবাদ : সানাউল্লাহ নজির আহমদ
সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
﴿ حكم الاحتفال بذكرى مولد الرسول صلى الله عليه وسلم من غير غناء ولا محرمات ﴾
« باللغة البنغالية  »
الشيخ محمد صالح المنجد
ترجمة: ثناء الله نذير أحمد
مراجعة: د. أبو بكر محمد زكريا
প্রশ্ন :
আমরা স্পাহানবাসী, আমরা সভা সমাবেশকে একতা, ভ্রাতৃত্ব বন্ধন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি, দ্বীনের প্রতি তাদের গর্ব ও আত্মসম্মান বৃদ্ধি এবং আমাদের প্রজন্মের চরিত্র ও আচরণের উপর প্রভাব সৃষ্টিকারী বিধর্মীদের মনগড়া উৎসব যেমন ভালবাসা দিবস ইত্যাদি থেকে সুরক্ষার উদ্দেশ্যে আমরা ঈদে মীলাদুন্নবী পালন করি, এ কাজ কি বৈধ ?


উত্তর : আল-হামদুলিল্লাহ
প্রথমত :
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম তারিখ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মতবিরোধ রয়েছে, তবে এ ব্যাপারে তারা একমত যে, হিজরির এগারতম বছর রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যু হয়েছে ! বর্তমান যুগে এ মৃত্যু দিবসেই কিছু লোক মাহফিলের আয়োজন করে ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপন করছে

দ্বিতীয়ত :
ইসলামি শরী‘আতে ঈদে মীলাদুন্নবী নামে কোন অনুষ্ঠান নেই সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈ ও কোন ইমাম এ জাতীয় ঈদের সাথে পরিচিত ছিলেন না, এসব অনুষ্ঠান পালন করা তো পরের কথা মূর্খ বাতেনী গ্রুপের কতক লোক এ ঈদের সূচনা করলে কতিপয় শহরের লোকেরা এ বিদআতের দিকে ধাবিত হয়

তৃতীয়ত :
সুন্নতের কতক সত্যিকার ভক্ত নিজ দেশের এসব অনুষ্ঠান দেখে প্রভাবিত হয়, তারা এসব বিদআত থেকে নিজেদের সুরক্ষার জন্য পরিবার নিয়ে জমায়েত হয়, বিশেষ খাবারের আয়োজন করে এবং সবাই মিলে খায় একই উদ্দেশ্যে কেউ বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়স্বজনদের একত্র করে, কেউ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন চরিত আলোচনা অথবা দীনি বক্তৃতা উপস্থাপনের জন্য লোকদের একত্র করে
সন্দেহ নেই এর উদ্দেশ্য আপনাদের ভাল, যেমন পরস্পরের মাঝে ঐক্য তৈরি, অমুসলিম প্রদান ও কুফরি দেশে ইসলামি মূল্যবোধ সৃষ্টি করা ইত্যাদি
তবে বাস্তবতা হচ্ছে : আপনাদের এসব ভাল উদ্দেশ্য কোন অনুষ্ঠানকে বৈধতার সনদ দেয় না, বরং এসব ঘৃণিত বিদআতআপনাদের ঈদের প্রয়োজন হলে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাই যথেষ্ট, আরও ঈদের প্রয়োজন হলে আমাদের সাপ্তাহিক ঈদ জুমার দিন পালন করুন, এতে আপনারা জুমার সালাত ও দ্বীনের মূল্যবোধ তৈরির জন্য একত্র হোনএটা সম্ভব না হলে এসব বিদআতী অনুষ্ঠান ব্যতীত বছরের আরও অনেক দিন রয়েছে, সেখানে বিভিন্ন বৈধ উপলক্ষে একত্র হতে পারেন, যেমন বিয়ের অনুষ্ঠান অথবা ওলিমার দাওয়াত অথবা আকিকা অথবা বিশেষ উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ইত্যাদিএসব অনুষ্ঠানকে আপনারা পরস্পর সম্প্রতি সৃষ্টি, একতার বন্ধন তৈরি ও দ্বীনের মূল্যবোধ জাগ্রত করার ন্যায় ইত্যাদি সৎ উদ্দেশ্যে কাজে লাগাতে পারেন

নিম্নে ভাল নিয়তে বিদআতি অনুষ্ঠানে যোগদান সম্পর্কে আলেমদের ফতোয়া উল্লেখ করছি :
এক. ইমাম আবু হাফস তাজুদ্দিন আল-ফাকেহানি -রাহিমাহুল্লাহ- মীলাদের বিভিন্ন প্রকার সম্পর্কে বলেন : কোন ব্যক্তির নিজ অর্থায়নে পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও সন্তানদের জন্য মাহফিলের আয়োজন করা, শুধু পানাহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা এবং পাপের কোন সুযোগ না রাখা, এসব অনুষ্ঠানকেই আমরা বিদআত, ঘৃণিত ও মাকরুহ বলছি, কারণ এ ধরণের অনুষ্ঠান আমাদের কোন মনীষী করেননি, যারা ছিল ইসলামের পণ্ডিত, যুগ শ্রেষ্ঠ আলেম, যুগের আলোকবর্তিকা ও জগতবাসীর উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখুন : আল-মাওয়ারেদ ফি আমালিল মাওলিদ পৃষ্ঠা : (৫)

দুই. ইবনুল হাজ আল-মালেকি -রাহিমাহুল্লাহ- গান-বাজনা ও নারী-পুরুষের সহবস্থান মুক্ত ঈদে মীলাদুন্নবী সম্পর্কে বলেন : ঈদে মীলাদুন্নবী যদি এসব পাপাচার মুক্ত শুধু খানার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে উদযাপন করা হয় এবং তাতে বন্ধু-বান্ধবদের আহ্বান করা হয় : তাহলে শুধু নিয়তের কারণে এ অনুষ্ঠান বিদআত হিসেবে গণ্য হবে, কারণ এটা দ্বীনের মধ্যে সংযোজনের শামিল, পূর্বসূরিদের আমল বিরোধী এবং তাদের নিয়ত ও কর্মের খেলাফআমাদের তুলনায় তাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনুগত্য, সম্মান ও মহব্বত বেশী ছিলদ্বীনি বিষয়ে তারা ছিলেন আমাদের চেয়ে অগ্রগামীতাদের কেউ মীলাদের নিয়ত করেননিআমরা তাদের অনুসারী, অতএব তাদের জন্য যা যথেষ্ট, আমাদের জন্যও তাই যথেষ্টমৌলিক ও পূর্বাপর সকল বিষয়েই তারা আমাদের আদর্শ ও পথিকৃৎইমাম আবু তালেব আল-মাক্কী -রাহিমাহুল্লাহ- তার কিতাবে অনুরূপই বলেছেন দেখুন : আল-মাদখাল : (২/১০)
তিনি আরও বলেন : কেউ কেউ এসব হারাম গান-বাদ্যের পরিবর্তে বুখারি খতম দ্বারা ঈদে মীলাদুন্নবী পালন করেসন্দেহ নেই হাদিসের দরস ইবাদাত ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাধ্যম, এতে রয়েছে বরকত ও কল্যাণ, কিন্তু এসব হাসিল করার জন্য শরী‘আত অনুমোদিত পন্থা অবলম্বন করা জরুরী, মীলাদের উদ্দেশ্যে তা পাঠ করা নয়, যেমন সালাত আল্লাহর বিশেষ ইবাদাত, তবুও অসময়ে এ সালাত পড়া নিন্দনীয়, সালাতের এ অবস্থা হলে অন্যান্য ইবাদাতের অবস্থা কি হবে ?! দেখুন : আল-মাদখাল : (২/২৫)

মোদ্দাকথা : এসব মৌসুমে আপনাদের উল্লেখিত সৎ উদ্দেশ্যে যেমন পরস্পর একতা তৈরি, উপদেশ ও নসিহত প্রদান ইত্যাদি নিয়তে জমা হওয়া বৈধ নয়, বরং এসব উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার জন্য অন্য কোন উপলক্ষ বেছে নিন, পুরো বছরের যে কোন একটি দিন নির্ধারণ করুনদোয়া করছি আল্লাহ আপনাদের কল্যাণের চেষ্টা করার তাওফিক দান করুন এবং আপনাদের হিদায়াত ও তাওফিক বৃদ্ধি করুনআল্লাহ ভাল জানেন

সমাপ্ত


প্রসঙ্গ :যৌন নির্যাতন

Posted Posted by আরিফ in , , Comments 0 comments

                                                               আব্দুস্ সালাম সুনামগঞ্জী
 বর্তমানে বাংলাদেশে ইভটিজিং একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ পত্রিকার দিকে দৃষ্টি দিলেই বাংলাদেশের কোন না কোন এলাকায় ইভটিজিং এর খবর পাওয়া যায়৷ এটা প্রতিরোধ করতে হলে কয়েক শ্রেণীর লোককে নিজেদের দায়িত্ব যথাযথ ভাবে  পালন করতে হবে৷ যেমন: মাতা - পিতা বা অভিভাবকের দায়িত্ব, নারীদের দায়িত্ব, সরকারের দায়িত্ব৷ কার কি দায়িত্ব তা নিন্মে পেশ করা হচ্ছে-
মাতা-পিতা বা অভিবাকের দায়িত্ব :- ছেলে মেয়ে লেখা পড়ার উপযুক্ত হলে তাদের কে ইসলামী আদর্শ শিক্ষা দেওয়া পিতা মাতার দায়িত্ব৷ কমপ েকালেমা, নামায, রোজা, পর্দা-পুশিদা, হালাল-হারাম, জায়েজ-নাজায়েজ ইত্যাদি৷ একজন মুসলমানের জন্য যা জানা আবশ্যকীয় তা শিা দেওয়া ও আবশ্যকীয়৷ নতুবা কাল কি্বয়ামতে জবাবদিহি করতে হবে৷
* মেয়েরা যখন ৯/১০ বত্‍সরে উপনীত হয় তখন থেকেই তাদের কে এমন পোষাক পরাতে হবে যাতে সমসত্ম অঙ্গ ঢেকে থাকে৷ যেমন- সেলোয়ার, ফুলহাতা কামিজ ও ওড়না৷ যখন বারো বত্‍সরে উপনীত হয় তখন তাদের কে আবশ্যকী প্রয়োজন ছাড়া বাড়ীর বাইরে যেতে না দেওয়া৷ হ্যা, যদি একানত্ম যেতেই হয় তাহলে বোরকা পরে বের হওয়ার শিা দেওয়া৷ কেননা, মেয়েদেরকে পর্দায় রাখা পিতা মাতার কর্তব্য এবং পিতামাতাকেই খেয়াল রাখতে হয় যেন তাদের সনত্মান কোন পর পুরম্নষের সাথে কথাবর্তা বলার সুযোগ না পায়৷ 
বর্তমানে মাতা পিতা বা অভিভাবকদের অলসতা দ্বারাই ইভটিজিং এর শিকার হচ্ছে মেয়েরা ৷ কেননা, তাদের কে শরয়ী পর্দা শরয়ী লেবাসে গড়া হয়নি৷ ফলে তারা এমন পোষাক পরিধান করে চলাফেরা করে যে, তাদের অনেক অঙ্গই খোলা থাকে৷ কামিজের হাত উঠাতে উঠাতে বগল পর্যনত্ম পেঁৗছে গেছে, মাথাও থাকে খোলা৷ অনেকে এমন পাতলা